নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজধানীর পাঁচ তারকা মানের ‘হোটেল আমারি’ এবং ‘কিংফিশার’ ও ‘ব্লিজ আর্ট’ বারে অভিযান চালিয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। ঢাকা মেট্রো (উত্তর) কার্যালয়ের নিয়মিত তদারকি কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বিভাগীয় অতিরিক্ত পরিচালক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে লাইসেন্সের শর্ত লঙ্ঘনসহ নানা অনিয়ম ধরা পড়েছে।
ডিএনসি সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বার পরিচালনার আইনি বৈধতা ও লাইসেন্সের শর্তাবলি সঠিকভাব প্রতিপালন করা হচ্ছে কি না, তা যাচাই করতেই এই বিশেষ অভিযান চালানো হয়।
অভিযানের সময় প্রতিষ্ঠানগুলোতে যেসব অনিয়ম পরিলক্ষিত হয়েছে:
হোটেল আমারি: অভিযান পরিচালনাকালে পারমিট ছাড়াই মদ্যপানরত অবস্থায় সাতজনকে আটক করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে অধিদপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
কিংফিশার বার: এই বারে তল্লাশি চালিয়ে কোনো বৈধ কাগজপত্র না থাকা ১৪ লিটার ‘কেরু’ ব্র্যান্ডের বিলাতি মদ উদ্ধার করা হয়। অননুমোদিত মদ রাখায় প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
ব্লিজ আর্ট বার: অভিযান চলাকালে বারটি বন্ধ পাওয়া গেলেও এর সম্ভাব্য অনিয়ম ও সার্বিক কার্যক্রম অধিকতর যাচাইয়ের জন্য ভেতরের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছে ডিএনসি।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮’ (সংশোধিত ২০২৬)-এর ১৫(১) ধারা অনুযায়ী প্রযোজ্য আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। লাইসেন্সের শর্ত মেনে চলা নিশ্চিত করা, মাদকের অপব্যবহার রোধ এবং মাদকসংক্রান্ত যেকোনো অপরাধ দমনে এ ধরনের তদারকি ও ঝটিকা অভিযান অব্যাহত থাকবে।

রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ অক্টোবর ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজধানীর পাঁচ তারকা মানের ‘হোটেল আমারি’ এবং ‘কিংফিশার’ ও ‘ব্লিজ আর্ট’ বারে অভিযান চালিয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। ঢাকা মেট্রো (উত্তর) কার্যালয়ের নিয়মিত তদারকি কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বিভাগীয় অতিরিক্ত পরিচালক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে লাইসেন্সের শর্ত লঙ্ঘনসহ নানা অনিয়ম ধরা পড়েছে।
ডিএনসি সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বার পরিচালনার আইনি বৈধতা ও লাইসেন্সের শর্তাবলি সঠিকভাব প্রতিপালন করা হচ্ছে কি না, তা যাচাই করতেই এই বিশেষ অভিযান চালানো হয়।
অভিযানের সময় প্রতিষ্ঠানগুলোতে যেসব অনিয়ম পরিলক্ষিত হয়েছে:
হোটেল আমারি: অভিযান পরিচালনাকালে পারমিট ছাড়াই মদ্যপানরত অবস্থায় সাতজনকে আটক করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে অধিদপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
কিংফিশার বার: এই বারে তল্লাশি চালিয়ে কোনো বৈধ কাগজপত্র না থাকা ১৪ লিটার ‘কেরু’ ব্র্যান্ডের বিলাতি মদ উদ্ধার করা হয়। অননুমোদিত মদ রাখায় প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
ব্লিজ আর্ট বার: অভিযান চলাকালে বারটি বন্ধ পাওয়া গেলেও এর সম্ভাব্য অনিয়ম ও সার্বিক কার্যক্রম অধিকতর যাচাইয়ের জন্য ভেতরের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছে ডিএনসি।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮’ (সংশোধিত ২০২৬)-এর ১৫(১) ধারা অনুযায়ী প্রযোজ্য আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। লাইসেন্সের শর্ত মেনে চলা নিশ্চিত করা, মাদকের অপব্যবহার রোধ এবং মাদকসংক্রান্ত যেকোনো অপরাধ দমনে এ ধরনের তদারকি ও ঝটিকা অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন