CHANNEL H TV

সাংবাদিক আজিম মিঞাকে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, ফরহাদের কাছে জমির বাউন্ডারি নিয়ে সরাসরি জবাব চাইলেন



সাংবাদিক আজিম মিঞাকে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, ফরহাদের কাছে জমির বাউন্ডারি নিয়ে সরাসরি জবাব চাইলেন

নিজ জমিতে বাউন্ডারি নির্মাণকে কেন্দ্র করে বিরোধ, এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ, পরবর্তী সময়ে হেনস্তার অভিযোগ এবং এবার সৌদি আরবপ্রবাসী আফ্রিদি আহমেদ ফয়সালের বিরুদ্ধে মেসেঞ্জারে অকথ্য ভাষায় গালাগাল ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ—সব মিলিয়ে নতুন করে আলোচনায় সাংবাদিক মোহাম্মদ আজিম মিঞা ও মোহাম্মদ ফরহাদকে ঘিরে বিরোধ।


সাংবাদিক আজিম মিঞার অভিযোগ, গতকাল দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে আফ্রিদি আহমেদ ফয়সাল তাঁর ব্যক্তিগত মেসেঞ্জারে গালাগাল ও প্রাণনাশের হুমকি দেন। এ-সংক্রান্ত কথোপকথনের স্ক্রিনশট সংরক্ষিত রয়েছে বলে তিনি দাবি করেছেন। আফ্রিদি আহমেদ ফয়সাল মোহাম্মদ ফরহাদের ছোট ভাই এবং নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার ১০ নম্বর নরোত্তমপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।


আফ্রিদির হুমকির অভিযোগ নিয়ে ফরহাদের সঙ্গে কথোপকথন


আজিম মিঞার ভাষ্য অনুযায়ী, আফ্রিদির গালাগাল ও হুমকির বিষয়টি তিনি মেসেঞ্জারে মোহাম্মদ ফরহাদের কাছে জানতে চান। জবাবে ফরহাদ দাবি করেন, তাঁর সঙ্গে চাচাতো ভাই আফ্রিদির কোনো যোগাযোগ নেই।


এরপর আজিম মিঞা ফরহাদের কাছে প্রশ্ন তোলেন, তাঁর জমিতে বাউন্ডারি নির্মাণকে কেন্দ্র করে বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে, এ নিয়ে অভিযোগ ও প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে—এ অবস্থায় তাঁর চাচাতো ভাই কেন তাঁকে এমন নোংরা ভাষায় গালাগাল ও হুমকি দেবেন? এ ঘটনার দায় সম্পর্কে ফরহাদ কী জবাব দেবেন, সেটিও জানতে চান তিনি।


আজিম মিঞা আরও প্রশ্ন করেন, ফরহাদ তাঁর জমিতে বাউন্ডারি নির্মাণ না করলে কি আজকের এই বিরোধ ও একের পর এক অপ্রীতিকর ঘটনার পরিস্থিতি সৃষ্টি হতো? তাঁর বক্তব্য, জমির বাউন্ডারি নিয়ে মূল প্রশ্নের সরাসরি উত্তর না দিয়ে ফরহাদ কথোপকথনে অন্যান্য প্রসঙ্গ টেনে আনেন বলে তিনি মনে করেন।


আজিম মিঞার স্পষ্ট প্রশ্ন—আমার জমিতে বাউন্ডারি কেন?


সাংবাদিক আজিম মিঞা বলেন, জমির বাউন্ডারি নিয়ে তাঁর প্রশ্নটি অত্যন্ত সরল। তাঁর দাবি, নিজের জমিতে বাউন্ডারি নির্মাণের বিষয়টি নিয়েই বিরোধের সূত্রপাত। সেই বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিভিন্ন ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি অভিযোগ করছেন। এখন তাঁর বিরুদ্ধে পরিবারের অন্য একজনের গালাগাল ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ সামনে এসেছে।


এ অবস্থায় ফরহাদের কাছে তাঁর সরাসরি প্রশ্ন—“তুমি আমার জায়গায় বাউন্ডারি কেন দিলে? আমার এই প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর দাও। মূল বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে অন্য কথা বললে জমি নিয়ে বিরোধের সমাধান হবে না।”


আজিম মিঞার বক্তব্য, জমি নিয়ে কোনো বিরোধ থাকলে তা কাগজপত্র, মালিকানার প্রমাণ এবং আইনসম্মত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিষ্পত্তি হওয়া উচিত। কিন্তু মূল প্রশ্নের জবাব না দিয়ে কথোপকথন অন্যদিকে নিয়ে গেলে বিরোধের প্রকৃত কারণ আড়ালেই থেকে যাবে।


আগের ঘটনাও আলোচনায়


এর আগে আবু সাঈদ কনভেনশন হলে নোয়াখালী জেলা সমিতির একটি অনুষ্ঠানে ফরহাদের সঙ্গে দেখা হওয়ার পর আজিম মিঞাকে হেনস্তা করার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় শাহবাগ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয় এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে বলে আজিম মিঞা জানান।


তাঁর অভিযোগ, জমি নিয়ে বিরোধের ঘটনাকে কেন্দ্র করে একের পর এক অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। তবে এসব ঘটনার প্রতিটি অভিযোগের সত্যতা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা জরুরি। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য ও নথিপত্রের ভিত্তিতেই ঘটনার পূর্ণ চিত্র স্পষ্ট হতে পারে।


প্রতিবাদের ভাষা স্পষ্ট, সমাধান চাই আইনের পথে


সাংবাদিক আজিম মিঞার বক্তব্য, তিনি তাঁর জমি নিয়ে উত্থাপিত প্রশ্নের স্পষ্ট জবাব চান এবং হুমকির অভিযোগেরও নিরপেক্ষ তদন্ত চান। তাঁর মতে, কোনো সংবাদ বা অভিযোগের সঙ্গে দ্বিমত থাকলে তার জবাব দেওয়ার আইনসম্মত পথ রয়েছে। কিন্তু গালাগাল ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ সত্য হলে তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।


আজিম মিঞার প্রশ্ন একটাই—আমার জমিতে বাউন্ডারি কেন নির্মাণ করা হলো? জমির মালিকানা ও বাউন্ডারি নির্মাণের বৈধতা সংশ্লিষ্ট দলিলপত্র এবং প্রয়োজনীয় তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারিত হওয়া উচিত। একই সঙ্গে মেসেঞ্জারে হুমকি দেওয়ার অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।


প্রতিবাদী বার্তা: অন্যায়ের অভিযোগ উঠলে তার জবাব দিতে হবে তথ্য ও প্রমাণ দিয়ে। জমির বিরোধের নিষ্পত্তি হতে হবে আইন অনুযায়ী, আর হুমকির অভিযোগের বিচার হতে হবে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে।


প্রতিবেদকের নোট: মোহাম্মদ ফরহাদ ও আফ্রিদি আহমেদ ফয়সালের বক্তব্য স্বাধীনভাবে যাচাই করে প্রতিবেদনে যুক্ত করা প্রয়োজন। তাঁদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রকাশের সুযোগ রাখা হবে।

আপনার মতামত লিখুন

CHANNEL H TV

রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬


সাংবাদিক আজিম মিঞাকে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, ফরহাদের কাছে জমির বাউন্ডারি নিয়ে সরাসরি জবাব চাইলেন

প্রকাশের তারিখ : ১৫ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

নিজ জমিতে বাউন্ডারি নির্মাণকে কেন্দ্র করে বিরোধ, এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ, পরবর্তী সময়ে হেনস্তার অভিযোগ এবং এবার সৌদি আরবপ্রবাসী আফ্রিদি আহমেদ ফয়সালের বিরুদ্ধে মেসেঞ্জারে অকথ্য ভাষায় গালাগাল ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ—সব মিলিয়ে নতুন করে আলোচনায় সাংবাদিক মোহাম্মদ আজিম মিঞা ও মোহাম্মদ ফরহাদকে ঘিরে বিরোধ।


সাংবাদিক আজিম মিঞার অভিযোগ, গতকাল দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে আফ্রিদি আহমেদ ফয়সাল তাঁর ব্যক্তিগত মেসেঞ্জারে গালাগাল ও প্রাণনাশের হুমকি দেন। এ-সংক্রান্ত কথোপকথনের স্ক্রিনশট সংরক্ষিত রয়েছে বলে তিনি দাবি করেছেন। আফ্রিদি আহমেদ ফয়সাল মোহাম্মদ ফরহাদের ছোট ভাই এবং নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার ১০ নম্বর নরোত্তমপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।


আফ্রিদির হুমকির অভিযোগ নিয়ে ফরহাদের সঙ্গে কথোপকথন


আজিম মিঞার ভাষ্য অনুযায়ী, আফ্রিদির গালাগাল ও হুমকির বিষয়টি তিনি মেসেঞ্জারে মোহাম্মদ ফরহাদের কাছে জানতে চান। জবাবে ফরহাদ দাবি করেন, তাঁর সঙ্গে চাচাতো ভাই আফ্রিদির কোনো যোগাযোগ নেই।


এরপর আজিম মিঞা ফরহাদের কাছে প্রশ্ন তোলেন, তাঁর জমিতে বাউন্ডারি নির্মাণকে কেন্দ্র করে বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে, এ নিয়ে অভিযোগ ও প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে—এ অবস্থায় তাঁর চাচাতো ভাই কেন তাঁকে এমন নোংরা ভাষায় গালাগাল ও হুমকি দেবেন? এ ঘটনার দায় সম্পর্কে ফরহাদ কী জবাব দেবেন, সেটিও জানতে চান তিনি।


আজিম মিঞা আরও প্রশ্ন করেন, ফরহাদ তাঁর জমিতে বাউন্ডারি নির্মাণ না করলে কি আজকের এই বিরোধ ও একের পর এক অপ্রীতিকর ঘটনার পরিস্থিতি সৃষ্টি হতো? তাঁর বক্তব্য, জমির বাউন্ডারি নিয়ে মূল প্রশ্নের সরাসরি উত্তর না দিয়ে ফরহাদ কথোপকথনে অন্যান্য প্রসঙ্গ টেনে আনেন বলে তিনি মনে করেন।


আজিম মিঞার স্পষ্ট প্রশ্ন—আমার জমিতে বাউন্ডারি কেন?


সাংবাদিক আজিম মিঞা বলেন, জমির বাউন্ডারি নিয়ে তাঁর প্রশ্নটি অত্যন্ত সরল। তাঁর দাবি, নিজের জমিতে বাউন্ডারি নির্মাণের বিষয়টি নিয়েই বিরোধের সূত্রপাত। সেই বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিভিন্ন ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি অভিযোগ করছেন। এখন তাঁর বিরুদ্ধে পরিবারের অন্য একজনের গালাগাল ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ সামনে এসেছে।


এ অবস্থায় ফরহাদের কাছে তাঁর সরাসরি প্রশ্ন—“তুমি আমার জায়গায় বাউন্ডারি কেন দিলে? আমার এই প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর দাও। মূল বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে অন্য কথা বললে জমি নিয়ে বিরোধের সমাধান হবে না।”


আজিম মিঞার বক্তব্য, জমি নিয়ে কোনো বিরোধ থাকলে তা কাগজপত্র, মালিকানার প্রমাণ এবং আইনসম্মত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিষ্পত্তি হওয়া উচিত। কিন্তু মূল প্রশ্নের জবাব না দিয়ে কথোপকথন অন্যদিকে নিয়ে গেলে বিরোধের প্রকৃত কারণ আড়ালেই থেকে যাবে।


আগের ঘটনাও আলোচনায়


এর আগে আবু সাঈদ কনভেনশন হলে নোয়াখালী জেলা সমিতির একটি অনুষ্ঠানে ফরহাদের সঙ্গে দেখা হওয়ার পর আজিম মিঞাকে হেনস্তা করার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় শাহবাগ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয় এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে বলে আজিম মিঞা জানান।


তাঁর অভিযোগ, জমি নিয়ে বিরোধের ঘটনাকে কেন্দ্র করে একের পর এক অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। তবে এসব ঘটনার প্রতিটি অভিযোগের সত্যতা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা জরুরি। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য ও নথিপত্রের ভিত্তিতেই ঘটনার পূর্ণ চিত্র স্পষ্ট হতে পারে।


প্রতিবাদের ভাষা স্পষ্ট, সমাধান চাই আইনের পথে


সাংবাদিক আজিম মিঞার বক্তব্য, তিনি তাঁর জমি নিয়ে উত্থাপিত প্রশ্নের স্পষ্ট জবাব চান এবং হুমকির অভিযোগেরও নিরপেক্ষ তদন্ত চান। তাঁর মতে, কোনো সংবাদ বা অভিযোগের সঙ্গে দ্বিমত থাকলে তার জবাব দেওয়ার আইনসম্মত পথ রয়েছে। কিন্তু গালাগাল ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ সত্য হলে তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।


আজিম মিঞার প্রশ্ন একটাই—আমার জমিতে বাউন্ডারি কেন নির্মাণ করা হলো? জমির মালিকানা ও বাউন্ডারি নির্মাণের বৈধতা সংশ্লিষ্ট দলিলপত্র এবং প্রয়োজনীয় তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারিত হওয়া উচিত। একই সঙ্গে মেসেঞ্জারে হুমকি দেওয়ার অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।


প্রতিবাদী বার্তা: অন্যায়ের অভিযোগ উঠলে তার জবাব দিতে হবে তথ্য ও প্রমাণ দিয়ে। জমির বিরোধের নিষ্পত্তি হতে হবে আইন অনুযায়ী, আর হুমকির অভিযোগের বিচার হতে হবে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে।


প্রতিবেদকের নোট: মোহাম্মদ ফরহাদ ও আফ্রিদি আহমেদ ফয়সালের বক্তব্য স্বাধীনভাবে যাচাই করে প্রতিবেদনে যুক্ত করা প্রয়োজন। তাঁদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রকাশের সুযোগ রাখা হবে।


CHANNEL H TV

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ রাজিবুল হক রনি
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক:
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
সাংবাদিক আজিম মিঞাকে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, ফরহাদের কাছে জমির বাউন্ডারি নিয়ে সরাসরি জবাব চাইলেন
0:00 / 0:00
1x