CHANNEL H TV

সাংবাদিক আজিম মিঞার ভবনে চুরি: বিতর্কিত পলাশ মেম্বারের ছেলে পরশকে ঘিরে নতুন অভিযোগ, মুখ খুলছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা



সাংবাদিক আজিম মিঞার ভবনে চুরি: বিতর্কিত পলাশ মেম্বারের ছেলে পরশকে ঘিরে নতুন অভিযোগ, মুখ খুলছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ মডেল থানাধীন ১০ নম্বর নরোত্তমপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে সাংবাদিক মোহাম্মদ আজিম মিঞার ভবনে তালা ভেঙে চুরির ঘটনায় নতুন তথ্য সামনে এসেছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী। এ ঘটনায় স্থানীয় বিতর্কিত ওয়ার্ড প্রতিনিধি আনোয়ার হোসেন পলাশ মেম্বারের বড় ছেলে পরশ ও তার মাকে ঘিরে অভিযোগ উঠেছে। একই বাড়ির বাসিন্দা রাকিবের বক্তব্য এবং অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে চুরির ঘটনায় সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হয়েছে বলেও দাবি করেছেন সাংবাদিক আজিম মিঞা।


ভুক্তভোগীর অভিযোগ, তাঁর ভবন থেকে নগদ অর্থ, স্বর্ণালংকার, আসবাবপত্র ও জমির গুরুত্বপূর্ণ দলিলসহ প্রায় ১৫ লাখ টাকার মালামাল চুরি হয়েছে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ভবনটি প্রায় তিন মাস খালি থাকার সময় বিভিন্ন পর্যায়ে চুরির ঘটনা ঘটে। তবে চুরি যাওয়া সম্পদের পরিমাণ এবং অভিযোগে উল্লিখিত ব্যক্তিদের সম্পৃক্ততার বিষয়টি প্রাসঙ্গিক প্রমাণ ও তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।


প্রত্যক্ষদর্শী রাকিবের বক্তব্য ঘিরে নতুন তথ্য


সাংবাদিক আজিম মিঞার ভাষ্য অনুযায়ী, একই বাড়ির বাসিন্দা বাচ্চু মিয়ার ছেলে রাকিব চুরির ঘটনা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানেন। ভুক্তভোগীর দাবি, সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টার দিকে চুরি করে বেরিয়ে যাওয়ার সময় রাকিব সন্দেহভাজন ব্যক্তির পেছনের অংশ দেখতে পেয়েছিলেন। এ-সংক্রান্ত তথ্য আগের প্রতিবেদনেও উল্লেখ করা হয়েছিল বলে জানান তিনি।


আজিম মিঞার দাবি, ঘটনার পরপরই রাকিব বিষয়টি প্রকাশ্যে আনেননি। ভুক্তভোগীর ভাষ্য অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট পরিবারের সদস্যদের ভয়ে রাকিব প্রথমে নীরব ছিলেন। তবে বর্তমানে ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় আলোচনা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নতুন তথ্য সামনে আসছে বলে দাবি করেন তিনি।


ভুক্তভোগীর আরও দাবি, রাকিব তাঁকে জানিয়েছেন, পরশ ও তার মা তাঁর কাছে ক্ষমা চেয়েছিলেন এবং বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য অনুরোধ করেছিলেন। এরপর পরশ বাড়ি থেকে চলে যান বলেও অভিযোগ করেন আজিম মিঞা।


পরশকে ঘিরে পূর্বেও একাধিক অভিযোগ রয়েছে। 

যা এলাকার সকলেই জানে। 


ভুক্তভোগী আজিম মিঞার বক্তব্যে পরশকে ঘিরে অতীতের কিছু অভিযোগও উঠে এসেছে। তাঁর দাবি, ছোটবেলা থেকেই পরশের বিরুদ্ধে নারিকেল, সুপারি এবং আশপাশের বাড়ি থেকে বিভিন্ন মালামাল চুরির অভিযোগ এলাকায় প্রচলিত ছিল। এ কারণে এলাকায় কেউ কেউ তাঁকে ‘চোরা পরশ’ নামে উল্লেখ করেন বলেও দাবি করেন তিনি।


এ ছাড়া সাংবাদিক আজিম মিঞার ভবনে চুরির ঘটনার পর থেকে পরশ পলাতক রয়েছেন বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী। তবে তাঁর বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য পাওয়া যায়নি। 


প্রথম চুরির ঘটনা প্রকাশের পর পলাশ মেম্বারের সঙ্গে সাংবাদিক জুয়েলের কথোপকথন


ভুক্তভোগীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রথম চুরির ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর গাজী টিভির সাংবাদিক জুয়েল এ বিষয়ে পলাশ মেম্বারের সঙ্গে কথা বলেন। ওই কথোপকথনে চুরির ঘটনা এবং সাংবাদিকদের ঘটনাস্থলে যাওয়ার বিষয়টি উঠে আসে বলে জানান আজিম মিঞা।


ভুক্তভোগীর বর্ণনা অনুযায়ী, কথোপকথনের একপর্যায়ে পলাশ মেম্বার সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, “আপনারা সাংবাদিক, আপনাদের কাজ কী? আপনারা এখানে কেন আসছেন? চুরির ঘটনা নিয়ে পুলিশ তদন্ত করবে, সেটা পুলিশ দেখবে।”


আজিম মিঞার দাবি, এ সময় সাংবাদিকদের ঘটনাস্থলে যাওয়া নিয়ে পলাশ মেম্বার ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান এবং পরবর্তী সময়ে ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।


ভুক্তভোগীর বক্তব্য অনুযায়ী, এই কথোপকথনটি প্রথম চুরির ঘটনা প্রকাশের পরের সময়ের। বর্তমান প্রতিবেদনে উঠে আসা নতুন তথ্যের সময়কার কথোপকথন হিসেবে এটিকে উপস্থাপন করা হচ্ছে না। কথোপকথনের পূর্ণাঙ্গ কল রেকর্ড রয়েছে সাংবাদিক জুয়েলের কাছে,এই প্রতিবেদন করার আগে পলাশ মেম্বারকে ফোনে একাধিকবার ফোন দিল তার ফোন রিসিভ হয়নি। সরাসরি বক্তব্য পাওয়া গেলে বিষয়টি আরও স্পষ্টভাবে যাচাই করা সম্ভব হবে।


নতুন তথ্যের ভিত্তিতে সন্দেহভাজন শনাক্তের দাবি


সাংবাদিক আজিম মিঞার দাবি, একই বাড়ির বাসিন্দার বক্তব্য এবং অন্যান্য তথ্য বিশ্লেষণ করে চুরির ঘটনায় জড়িত সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় পরশকে ঘিরে ওঠা অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তও চান তিনি।

আগের তদন্তের পর নতুন অনুসন্ধান

ভুক্তভোগীর ভাষ্য অনুযায়ী, চুরির ঘটনায় থানায় অভিযোগ দাখিলের পর প্রায় এক মাস আগে তদন্ত হয়েছিল। ওই সময় এ নিয়ে সংবাদ প্রতিবেদনও প্রকাশিত হয়।

তবে বর্তমান প্রতিবেদনটি আগের সংবাদ পুনরাবৃত্তির উদ্দেশ্যে নয়। বরং ঘটনার পরবর্তী পর্যায়ে নতুন তথ্য সামনে আসার দাবি, একই বাড়ির বাসিন্দার বক্তব্য এবং সন্দেহভাজন শনাক্তের দাবিকে কেন্দ্র করে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।

চুরি যাওয়া সম্পদ ও জমির দলিল উদ্ধারের দাবি

সাংবাদিক মোহাম্মদ আজিম মিঞা চুরি যাওয়া নগদ অর্থ, স্বর্ণালংকার, আসবাবপত্র এবং জমির গুরুত্বপূর্ণ দলিল উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, চুরি যাওয়া সম্পদ ও দলিল ফেরত পাওয়া এবং ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন করাই তাঁর প্রধান প্রত্যাশা।


তিনি নতুন তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনার সুষ্ঠু অনুসন্ধান, চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার এবং প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।


অন্যদিকে, অভিযোগে নাম আসা পরশ ও পলাশ মেম্বারের বক্তব্য এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি। তাঁদের বক্তব্য এবং সংশ্লিষ্ট অন্য ব্যক্তিদের বক্তব্য নেওয়া হলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা যেতে পারে। একই সঙ্গে প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, প্রাসঙ্গিক প্রমাণ ও তদন্তের তথ্য যাচাইয়ের মাধ্যমে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ চিত্র তুলে ধরা জরুরি।


ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন, চুরি যাওয়া সম্পদ উদ্ধার এবং দায়ীদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণই এখন ভুক্তভোগীর প্রত্যাশা।

আপনার মতামত লিখুন

CHANNEL H TV

রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬


সাংবাদিক আজিম মিঞার ভবনে চুরি: বিতর্কিত পলাশ মেম্বারের ছেলে পরশকে ঘিরে নতুন অভিযোগ, মুখ খুলছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা

প্রকাশের তারিখ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ মডেল থানাধীন ১০ নম্বর নরোত্তমপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে সাংবাদিক মোহাম্মদ আজিম মিঞার ভবনে তালা ভেঙে চুরির ঘটনায় নতুন তথ্য সামনে এসেছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী। এ ঘটনায় স্থানীয় বিতর্কিত ওয়ার্ড প্রতিনিধি আনোয়ার হোসেন পলাশ মেম্বারের বড় ছেলে পরশ ও তার মাকে ঘিরে অভিযোগ উঠেছে। একই বাড়ির বাসিন্দা রাকিবের বক্তব্য এবং অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে চুরির ঘটনায় সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হয়েছে বলেও দাবি করেছেন সাংবাদিক আজিম মিঞা।


ভুক্তভোগীর অভিযোগ, তাঁর ভবন থেকে নগদ অর্থ, স্বর্ণালংকার, আসবাবপত্র ও জমির গুরুত্বপূর্ণ দলিলসহ প্রায় ১৫ লাখ টাকার মালামাল চুরি হয়েছে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ভবনটি প্রায় তিন মাস খালি থাকার সময় বিভিন্ন পর্যায়ে চুরির ঘটনা ঘটে। তবে চুরি যাওয়া সম্পদের পরিমাণ এবং অভিযোগে উল্লিখিত ব্যক্তিদের সম্পৃক্ততার বিষয়টি প্রাসঙ্গিক প্রমাণ ও তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।


প্রত্যক্ষদর্শী রাকিবের বক্তব্য ঘিরে নতুন তথ্য


সাংবাদিক আজিম মিঞার ভাষ্য অনুযায়ী, একই বাড়ির বাসিন্দা বাচ্চু মিয়ার ছেলে রাকিব চুরির ঘটনা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানেন। ভুক্তভোগীর দাবি, সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টার দিকে চুরি করে বেরিয়ে যাওয়ার সময় রাকিব সন্দেহভাজন ব্যক্তির পেছনের অংশ দেখতে পেয়েছিলেন। এ-সংক্রান্ত তথ্য আগের প্রতিবেদনেও উল্লেখ করা হয়েছিল বলে জানান তিনি।


আজিম মিঞার দাবি, ঘটনার পরপরই রাকিব বিষয়টি প্রকাশ্যে আনেননি। ভুক্তভোগীর ভাষ্য অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট পরিবারের সদস্যদের ভয়ে রাকিব প্রথমে নীরব ছিলেন। তবে বর্তমানে ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় আলোচনা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নতুন তথ্য সামনে আসছে বলে দাবি করেন তিনি।


ভুক্তভোগীর আরও দাবি, রাকিব তাঁকে জানিয়েছেন, পরশ ও তার মা তাঁর কাছে ক্ষমা চেয়েছিলেন এবং বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য অনুরোধ করেছিলেন। এরপর পরশ বাড়ি থেকে চলে যান বলেও অভিযোগ করেন আজিম মিঞা।


পরশকে ঘিরে পূর্বেও একাধিক অভিযোগ রয়েছে। 

যা এলাকার সকলেই জানে। 


ভুক্তভোগী আজিম মিঞার বক্তব্যে পরশকে ঘিরে অতীতের কিছু অভিযোগও উঠে এসেছে। তাঁর দাবি, ছোটবেলা থেকেই পরশের বিরুদ্ধে নারিকেল, সুপারি এবং আশপাশের বাড়ি থেকে বিভিন্ন মালামাল চুরির অভিযোগ এলাকায় প্রচলিত ছিল। এ কারণে এলাকায় কেউ কেউ তাঁকে ‘চোরা পরশ’ নামে উল্লেখ করেন বলেও দাবি করেন তিনি।


এ ছাড়া সাংবাদিক আজিম মিঞার ভবনে চুরির ঘটনার পর থেকে পরশ পলাতক রয়েছেন বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী। তবে তাঁর বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য পাওয়া যায়নি। 


প্রথম চুরির ঘটনা প্রকাশের পর পলাশ মেম্বারের সঙ্গে সাংবাদিক জুয়েলের কথোপকথন


ভুক্তভোগীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রথম চুরির ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর গাজী টিভির সাংবাদিক জুয়েল এ বিষয়ে পলাশ মেম্বারের সঙ্গে কথা বলেন। ওই কথোপকথনে চুরির ঘটনা এবং সাংবাদিকদের ঘটনাস্থলে যাওয়ার বিষয়টি উঠে আসে বলে জানান আজিম মিঞা।


ভুক্তভোগীর বর্ণনা অনুযায়ী, কথোপকথনের একপর্যায়ে পলাশ মেম্বার সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, “আপনারা সাংবাদিক, আপনাদের কাজ কী? আপনারা এখানে কেন আসছেন? চুরির ঘটনা নিয়ে পুলিশ তদন্ত করবে, সেটা পুলিশ দেখবে।”


আজিম মিঞার দাবি, এ সময় সাংবাদিকদের ঘটনাস্থলে যাওয়া নিয়ে পলাশ মেম্বার ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান এবং পরবর্তী সময়ে ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।


ভুক্তভোগীর বক্তব্য অনুযায়ী, এই কথোপকথনটি প্রথম চুরির ঘটনা প্রকাশের পরের সময়ের। বর্তমান প্রতিবেদনে উঠে আসা নতুন তথ্যের সময়কার কথোপকথন হিসেবে এটিকে উপস্থাপন করা হচ্ছে না। কথোপকথনের পূর্ণাঙ্গ কল রেকর্ড রয়েছে সাংবাদিক জুয়েলের কাছে,এই প্রতিবেদন করার আগে পলাশ মেম্বারকে ফোনে একাধিকবার ফোন দিল তার ফোন রিসিভ হয়নি। সরাসরি বক্তব্য পাওয়া গেলে বিষয়টি আরও স্পষ্টভাবে যাচাই করা সম্ভব হবে।


নতুন তথ্যের ভিত্তিতে সন্দেহভাজন শনাক্তের দাবি


সাংবাদিক আজিম মিঞার দাবি, একই বাড়ির বাসিন্দার বক্তব্য এবং অন্যান্য তথ্য বিশ্লেষণ করে চুরির ঘটনায় জড়িত সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় পরশকে ঘিরে ওঠা অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তও চান তিনি।

আগের তদন্তের পর নতুন অনুসন্ধান

ভুক্তভোগীর ভাষ্য অনুযায়ী, চুরির ঘটনায় থানায় অভিযোগ দাখিলের পর প্রায় এক মাস আগে তদন্ত হয়েছিল। ওই সময় এ নিয়ে সংবাদ প্রতিবেদনও প্রকাশিত হয়।

তবে বর্তমান প্রতিবেদনটি আগের সংবাদ পুনরাবৃত্তির উদ্দেশ্যে নয়। বরং ঘটনার পরবর্তী পর্যায়ে নতুন তথ্য সামনে আসার দাবি, একই বাড়ির বাসিন্দার বক্তব্য এবং সন্দেহভাজন শনাক্তের দাবিকে কেন্দ্র করে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।

চুরি যাওয়া সম্পদ ও জমির দলিল উদ্ধারের দাবি

সাংবাদিক মোহাম্মদ আজিম মিঞা চুরি যাওয়া নগদ অর্থ, স্বর্ণালংকার, আসবাবপত্র এবং জমির গুরুত্বপূর্ণ দলিল উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, চুরি যাওয়া সম্পদ ও দলিল ফেরত পাওয়া এবং ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন করাই তাঁর প্রধান প্রত্যাশা।


তিনি নতুন তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনার সুষ্ঠু অনুসন্ধান, চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার এবং প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।


অন্যদিকে, অভিযোগে নাম আসা পরশ ও পলাশ মেম্বারের বক্তব্য এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি। তাঁদের বক্তব্য এবং সংশ্লিষ্ট অন্য ব্যক্তিদের বক্তব্য নেওয়া হলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা যেতে পারে। একই সঙ্গে প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, প্রাসঙ্গিক প্রমাণ ও তদন্তের তথ্য যাচাইয়ের মাধ্যমে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ চিত্র তুলে ধরা জরুরি।


ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন, চুরি যাওয়া সম্পদ উদ্ধার এবং দায়ীদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণই এখন ভুক্তভোগীর প্রত্যাশা।


CHANNEL H TV

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ রাজিবুল হক রনি
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক:
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
সাংবাদিক আজিম মিঞার ভবনে চুরি: বিতর্কিত পলাশ মেম্বারের ছেলে পরশকে ঘিরে নতুন অভিযোগ, মুখ খুলছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা
0:00 / 0:00
1x