প্রতিবাদী কণ্ঠ মানবিক সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সাংবাদিক হাজী মোহাম্মদ আজিম মিঞার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ উঠেছে আব্দুল্লাহ বাল সাব্বির নামের ব্যক্তির বিরুদ্ধে। সাংবাদিক আজিম মিঞার নাম ব্যবহার করে ব্যঙ্গাত্মক ফেক আইডি পরিচালনা এবং বিভিন্ন মন্তব্যের মাধ্যমে তাঁকে ভিত্তিহীন মিথ্যা অপবাদ আর অপপ্রচার বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
সাংবাদিক আজিম মিঞার অভিযোগ, নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার ১০ নম্বর নরোত্তমপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে কবরের ওপর ভবন নির্মাণের অভিযোগ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের পর থেকে আব্দুল্লাহ বাল সাব্বির ও জামাল উদ্দিন ওরফে সুদি খোকন পর নারী দর্শনকারী ওয়ার্ড প্রতিনিধি জানোয়ার হোসেন পলাশ কেন্দ্র করে একটি পক্ষ সংঘবদ্ধভাবে তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন মন্তব্য ও ব্যঙ্গাত্মক পোস্টের মাধ্যমে তাঁকে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও দাবি তাঁর।
২০২১ সালে আটকের অভিযোগ
অনুসন্ধানে প্রাপ্ত তথ্য যাচাইয়ের অংশ হিসেবে আব্দুল্লাহ বাল সাব্বির সম্পর্কে স্থানীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে বলে প্রতিবেদকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২১ সালে অবৈধ ওয়াকি টকি ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে র্যাবের হাতে আটক হয়েছিলেন,বিতর্কিত আব্দুল্লাহ আব সাব্বির তিনি এবং পরবর্তীতে মুক্তি পান।
পরিবারের এক সদস্যকে ঘিরে গুরুতর অভিযোগ
এলাকার কয়েকজন বাসিন্দার বরাত দিয়ে আব্দুল্লাহ বাল সাব্বিরের বাবার বিরুদ্ধে অতীতে বলৎকার ও যৌন নিপীড়নের গুরুতর অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, একাধিক ব্যক্তি ও তাদের বাড়ির কর্মচারী ও কর্মজীবী মানুষের সঙ্গে তাঁর বাবার অনৈতিক আচরণের ঘটনা রয়েছে। পাশের বাড়ির আজিজ আহমেদ কে ব্যক্তিকে শৈশবে যৌন নির্যাতন বলাৎকার শিকার করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেছেন কেউ কেউ। তাঁদের দাবি, ওই ঘটনার পর আজিজ আহমেদের কথা বলায় সমস্যা দেখা দেয়।বর্তমানে তাকে তোতলা আজিজ হিসেবে মানুষ জেনে থাকেন।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার দাবি, আব্দুল্লাহ বাল সাব্বিরের বাবাকে ঘিরে ওঠা বলৎকার ও যৌন নিপীড়নের অভিযোগের জেরে এলাকার কিছু মানুষ তাঁকে অবমাননাকরভাবে ‘বলৎকারের ছেলে’ বলে সম্বোধন করে থাকেন। এতে করে আব্দুল্লাহ আল সাব্বির ক্ষিপ্ত হয়ে মানুষের বিরুদ্ধে ফেক আইডি অপপ্রচারে নেমে পড়েন।
স্থানীয় সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, আব্দুল্লাহ বাল সাব্বিরের বাড়ি নরোত্তমপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে। অন্যদিকে, অভিযোগে উল্লেখিত আজিজ আহমেদের বাড়ি একই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে পাশাপাশি বাড়ি বলে জানানো হয়েছে।
সাইবার ক্রাইমে অভিযোগের কথা জানালেন আজিম মিঞা
সাংবাদিক আজিম মিঞা বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা অপবাদ ও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এ বিষয়ে চকবাজার থানায় একাধিক জিডি ও অভিযোগ এবং সাইবার ক্রাইম সংশ্লিষ্ট দপ্তরে একাধিক অভিযোগ করা হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।
তিনি বলেন, “সাইবার ক্রাইমে একাধিক অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তারা প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে এ ধরনের কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রশাসনিকভাবে আইন অনুযায়ী যে পদক্ষেপ নেওয়া হবে, তাতেই আমি সন্তুষ্ট থাকব, ইনশাআল্লাহ। আমাকে নিয়ে যতই মিথ্যা অপবাদ ও অপপ্রচার চালানো হোক না কেন, আমি সত্যের কলম থামাব না।”
নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি
সাংবাদিক আজিম মিঞাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারের অভিযোগ, ব্যঙ্গাত্মক ফেক আইডি পরিচালনা এবং অতীতের বিভিন্ন ঘটনা নিয়ে ওঠা অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যক্তিগত আক্রমণ, মিথ্যা তথ্য প্রচার কিংবা কারও বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উত্থাপনের ক্ষেত্রে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
অভিযোগগুলোর বিষয়ে অভিযুক্ত আব্দুল্লাহ বাল সাব্বির, জামাল উদ্দিন ওরফে সুদি খোকন পরনারী দর্শনকারী আনোয়ার হোসেন পলাশ এবং সংশ্লিষ্ট অন্য ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।

রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রতিবাদী কণ্ঠ মানবিক সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সাংবাদিক হাজী মোহাম্মদ আজিম মিঞার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ উঠেছে আব্দুল্লাহ বাল সাব্বির নামের ব্যক্তির বিরুদ্ধে। সাংবাদিক আজিম মিঞার নাম ব্যবহার করে ব্যঙ্গাত্মক ফেক আইডি পরিচালনা এবং বিভিন্ন মন্তব্যের মাধ্যমে তাঁকে ভিত্তিহীন মিথ্যা অপবাদ আর অপপ্রচার বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
সাংবাদিক আজিম মিঞার অভিযোগ, নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার ১০ নম্বর নরোত্তমপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে কবরের ওপর ভবন নির্মাণের অভিযোগ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের পর থেকে আব্দুল্লাহ বাল সাব্বির ও জামাল উদ্দিন ওরফে সুদি খোকন পর নারী দর্শনকারী ওয়ার্ড প্রতিনিধি জানোয়ার হোসেন পলাশ কেন্দ্র করে একটি পক্ষ সংঘবদ্ধভাবে তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন মন্তব্য ও ব্যঙ্গাত্মক পোস্টের মাধ্যমে তাঁকে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও দাবি তাঁর।
২০২১ সালে আটকের অভিযোগ
অনুসন্ধানে প্রাপ্ত তথ্য যাচাইয়ের অংশ হিসেবে আব্দুল্লাহ বাল সাব্বির সম্পর্কে স্থানীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে বলে প্রতিবেদকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২১ সালে অবৈধ ওয়াকি টকি ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে র্যাবের হাতে আটক হয়েছিলেন,বিতর্কিত আব্দুল্লাহ আব সাব্বির তিনি এবং পরবর্তীতে মুক্তি পান।
পরিবারের এক সদস্যকে ঘিরে গুরুতর অভিযোগ
এলাকার কয়েকজন বাসিন্দার বরাত দিয়ে আব্দুল্লাহ বাল সাব্বিরের বাবার বিরুদ্ধে অতীতে বলৎকার ও যৌন নিপীড়নের গুরুতর অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, একাধিক ব্যক্তি ও তাদের বাড়ির কর্মচারী ও কর্মজীবী মানুষের সঙ্গে তাঁর বাবার অনৈতিক আচরণের ঘটনা রয়েছে। পাশের বাড়ির আজিজ আহমেদ কে ব্যক্তিকে শৈশবে যৌন নির্যাতন বলাৎকার শিকার করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেছেন কেউ কেউ। তাঁদের দাবি, ওই ঘটনার পর আজিজ আহমেদের কথা বলায় সমস্যা দেখা দেয়।বর্তমানে তাকে তোতলা আজিজ হিসেবে মানুষ জেনে থাকেন।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার দাবি, আব্দুল্লাহ বাল সাব্বিরের বাবাকে ঘিরে ওঠা বলৎকার ও যৌন নিপীড়নের অভিযোগের জেরে এলাকার কিছু মানুষ তাঁকে অবমাননাকরভাবে ‘বলৎকারের ছেলে’ বলে সম্বোধন করে থাকেন। এতে করে আব্দুল্লাহ আল সাব্বির ক্ষিপ্ত হয়ে মানুষের বিরুদ্ধে ফেক আইডি অপপ্রচারে নেমে পড়েন।
স্থানীয় সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, আব্দুল্লাহ বাল সাব্বিরের বাড়ি নরোত্তমপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে। অন্যদিকে, অভিযোগে উল্লেখিত আজিজ আহমেদের বাড়ি একই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে পাশাপাশি বাড়ি বলে জানানো হয়েছে।
সাইবার ক্রাইমে অভিযোগের কথা জানালেন আজিম মিঞা
সাংবাদিক আজিম মিঞা বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা অপবাদ ও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এ বিষয়ে চকবাজার থানায় একাধিক জিডি ও অভিযোগ এবং সাইবার ক্রাইম সংশ্লিষ্ট দপ্তরে একাধিক অভিযোগ করা হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।
তিনি বলেন, “সাইবার ক্রাইমে একাধিক অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তারা প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে এ ধরনের কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রশাসনিকভাবে আইন অনুযায়ী যে পদক্ষেপ নেওয়া হবে, তাতেই আমি সন্তুষ্ট থাকব, ইনশাআল্লাহ। আমাকে নিয়ে যতই মিথ্যা অপবাদ ও অপপ্রচার চালানো হোক না কেন, আমি সত্যের কলম থামাব না।”
নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি
সাংবাদিক আজিম মিঞাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারের অভিযোগ, ব্যঙ্গাত্মক ফেক আইডি পরিচালনা এবং অতীতের বিভিন্ন ঘটনা নিয়ে ওঠা অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যক্তিগত আক্রমণ, মিথ্যা তথ্য প্রচার কিংবা কারও বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উত্থাপনের ক্ষেত্রে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
অভিযোগগুলোর বিষয়ে অভিযুক্ত আব্দুল্লাহ বাল সাব্বির, জামাল উদ্দিন ওরফে সুদি খোকন পরনারী দর্শনকারী আনোয়ার হোসেন পলাশ এবং সংশ্লিষ্ট অন্য ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন