বিশ্ব স্তন ক্যান্সার সচেতনতা দিবস উপলক্ষে সচেতনতা বৃদ্ধি, প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্তকরণ এবং সঠিক চিকিৎসাসেবা গ্রহণে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে রাজধানীতে এক বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে গণস্বাস্থ্য হোমিও’র উদ্যোগে আয়োজিত সচেতনতামূলক র্যালিটি বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট থেকে শুরু হয়ে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এসে শেষ হয়। পরবর্তীতে সেখানে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
গণস্বাস্থ্য হোমিও’র চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ট ক্যান্সার চিকিৎসক ডা. এস এম সরওয়ারের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন প্রধান পরামর্শদাতা প্রফেসর ডা. কর্নেল (অব.) মোঃ শহিদুল্লাহ। এছাড়া অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জনতা পার্টির প্রেসিডেন্ট মিঠুন চৌধুরী, বাংলাদেশ ইসলামী সমন্বয় পরিষদের মহাসচিব কথাসাহিত্যিক ইঞ্জিনিয়ার বিএম এরশাদ, ইসলামী সমন্বয় পরিষদের সহ-সভাপতি কবি সৈয়দ ইসমাইল হোসেন জনি, এস টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাকিব সোলারী, গণস্বাস্থ্য হোমিও’র ডা. এমইউ আরিফ, ডা. আরিফুল ইসলাম, ডা. মিথিলা, নাজমা ইসলাম কলি এবং ইসলামী ছাত্র সমন্বয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মোঃ জসিম উদ্দিনসহ অনেকে বক্তব্য প্রদান করেন।
সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে ডা. এস এম সরওয়ার বলেন, “চিকিৎসার নামে দেশ থেকে প্রতিবছর হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়ে যাচ্ছে। এই বিপুল পরিমাণ অর্থপাচার রোধে সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে এবং হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার গুরুত্ব অনুধাবন করতে হবে, কারণ উপযুক্ত চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথিতেও ক্যান্সার নিরাময় সম্ভব।”
হোমিওপ্যাথি খাতকে সঠিক মূল্যায়ন ও প্রাধান্য দিলে দেশ থেকে চিকিৎসা বাবদ অর্থপাচার বহুলাংশে রোধ করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেন তিনি। একই সাথে প্রধানমন্ত্রী, স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ডা. সরওয়ার সরকারি উদ্যোগে হোমিওপ্যাথি বিভাগে একটি আধুনিক গবেষণা ইনস্টিটিউট ও ল্যাবরেটরি স্থাপনের জোর দাবি জানান। তিনি বলেন, এর মাধ্যমে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার আধুনিকায়ন ঘটবে এবং মানসম্মত ও দক্ষ চিকিৎসক তৈরি করা সম্ভব হবে।
প্রধান পরামর্শদাতা প্রফেসর ডা. কর্নেল (অব.) মোঃ শহিদুল্লাহ তাঁর বক্তব্যে বলেন, “মা-বোনদের মধ্যে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ার অন্যতম প্রধান কারণ হলো অসচেতনতা ও লজ্জাবোধ। সঠিক তথ্যের অভাব এবং প্রাথমিক লক্ষণগুলোকে অবহেলা করার কারণে অনেকেই শেষ পর্যায়ে এসে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন, যা জীবনকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তোলে।”
তিনি সকল নারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধ ও নিরাময়ে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। তাই আপনারা নিজেদের স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতন হন। স্তনে যেকোনো ধরণের পরিবর্তন, গুটি বা অস্বাভাবিক ত্রুটি দেখা দিলে একটুও দ্বিধা না করে অবিলম্বে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন। সময়মতো সঠিক চিকিৎসা গ্রহণ করলে স্তন ক্যান্সার সম্পূর্ণরূপে নিরাময় সম্ভব।”
সমাবেশে বক্তারা স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রাথমিক পর্যায়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬
বিশ্ব স্তন ক্যান্সার সচেতনতা দিবস উপলক্ষে সচেতনতা বৃদ্ধি, প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্তকরণ এবং সঠিক চিকিৎসাসেবা গ্রহণে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে রাজধানীতে এক বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে গণস্বাস্থ্য হোমিও’র উদ্যোগে আয়োজিত সচেতনতামূলক র্যালিটি বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট থেকে শুরু হয়ে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এসে শেষ হয়। পরবর্তীতে সেখানে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
গণস্বাস্থ্য হোমিও’র চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ট ক্যান্সার চিকিৎসক ডা. এস এম সরওয়ারের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন প্রধান পরামর্শদাতা প্রফেসর ডা. কর্নেল (অব.) মোঃ শহিদুল্লাহ। এছাড়া অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জনতা পার্টির প্রেসিডেন্ট মিঠুন চৌধুরী, বাংলাদেশ ইসলামী সমন্বয় পরিষদের মহাসচিব কথাসাহিত্যিক ইঞ্জিনিয়ার বিএম এরশাদ, ইসলামী সমন্বয় পরিষদের সহ-সভাপতি কবি সৈয়দ ইসমাইল হোসেন জনি, এস টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাকিব সোলারী, গণস্বাস্থ্য হোমিও’র ডা. এমইউ আরিফ, ডা. আরিফুল ইসলাম, ডা. মিথিলা, নাজমা ইসলাম কলি এবং ইসলামী ছাত্র সমন্বয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মোঃ জসিম উদ্দিনসহ অনেকে বক্তব্য প্রদান করেন।
সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে ডা. এস এম সরওয়ার বলেন, “চিকিৎসার নামে দেশ থেকে প্রতিবছর হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়ে যাচ্ছে। এই বিপুল পরিমাণ অর্থপাচার রোধে সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে এবং হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার গুরুত্ব অনুধাবন করতে হবে, কারণ উপযুক্ত চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথিতেও ক্যান্সার নিরাময় সম্ভব।”
হোমিওপ্যাথি খাতকে সঠিক মূল্যায়ন ও প্রাধান্য দিলে দেশ থেকে চিকিৎসা বাবদ অর্থপাচার বহুলাংশে রোধ করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেন তিনি। একই সাথে প্রধানমন্ত্রী, স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ডা. সরওয়ার সরকারি উদ্যোগে হোমিওপ্যাথি বিভাগে একটি আধুনিক গবেষণা ইনস্টিটিউট ও ল্যাবরেটরি স্থাপনের জোর দাবি জানান। তিনি বলেন, এর মাধ্যমে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার আধুনিকায়ন ঘটবে এবং মানসম্মত ও দক্ষ চিকিৎসক তৈরি করা সম্ভব হবে।
প্রধান পরামর্শদাতা প্রফেসর ডা. কর্নেল (অব.) মোঃ শহিদুল্লাহ তাঁর বক্তব্যে বলেন, “মা-বোনদের মধ্যে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ার অন্যতম প্রধান কারণ হলো অসচেতনতা ও লজ্জাবোধ। সঠিক তথ্যের অভাব এবং প্রাথমিক লক্ষণগুলোকে অবহেলা করার কারণে অনেকেই শেষ পর্যায়ে এসে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন, যা জীবনকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তোলে।”
তিনি সকল নারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধ ও নিরাময়ে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। তাই আপনারা নিজেদের স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতন হন। স্তনে যেকোনো ধরণের পরিবর্তন, গুটি বা অস্বাভাবিক ত্রুটি দেখা দিলে একটুও দ্বিধা না করে অবিলম্বে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন। সময়মতো সঠিক চিকিৎসা গ্রহণ করলে স্তন ক্যান্সার সম্পূর্ণরূপে নিরাময় সম্ভব।”
সমাবেশে বক্তারা স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রাথমিক পর্যায়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আপনার মতামত লিখুন