পাবনা জেলা বিএনপির রাজনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহ্যবাহী এলাকা হিসেবে পরিচিত বেড়া উপজেলার কৈটোলা ইউনিয়ন। স্বাধীনতার পর থেকে অসংখ্য ত্যাগী ও একনিষ্ঠ নেতাকর্মীর জন্ম দিয়েছে এই অঞ্চল। পাবনা জেলা বিএনপির অন্যতম রূপকার মরহুম মির্জা আব্দুল আউয়ালের জন্মস্থান কৈটোলা হওয়াতেই দীর্ঘদিন ধরে এটি বিএনপি অধ্যুষিত এলাকা হিসেবে সারাদেশে সুনাম বহন করে আসছে।
বিএনপির এই ঐতিহ্যবাহী দুর্গে আন্দোলন-সংগ্রামের সামনের সারিতে থেকে উঠে এসেছেন তরুণ প্রজন্মের পছন্দের নেতা ও কৈটোলা ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর আলম পল্টু। বুনেদী মুসলিম পরিবারের এই সন্তান মরহুম মির্জা আব্দুল আউয়ালের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে দলটির রাজনীতিতে সক্রিয় হন। সংক্ষিপ্ত সময়েই স্থানীয় সর্বস্তরের জনগণের আস্থা অর্জন করে জিয়া পরিবারের আদর্শিক সৈনিক হিসেবে স্থান করে নেন তিনি।
তবে জাহাঙ্গীর আলম পল্টুর এই জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা তাঁর ওপর বারবার অন্যায়-অত্যাচার ও নির্যাতন চালায়। কেবল শারীরিক নির্যাতনই নয়, বেশ কয়েকবার তাঁর বাড়িঘরে ভাঙচুর ও লুটপাটও চালানো হয়।
বেড়া থানা ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জাহাঙ্গীর আলম পল্টুকে রাজনৈতিকভাবে দমানোর লক্ষ্যে দলীয় সরকারের সময় তাঁর বিরুদ্ধে অন্তত ৭টি মামলা দায়ের করা হয়। মামলাগুলোর বিবরণ—
জিআর ১২৬, তারিখ: ২১/০৭/২০২৪
জিআর ১৫৩, তারিখ: ২৯/১০/২০২৩
জিআর ১৬/২০২২
জিআর ১১৭/২০২২
জিআর ১১৮/২০১৮
জিআর ১২২/২০১৮
জিআর ১৫১/২০১২
পরিবারের স্বজন ও স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দের দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের করা এই মামলাগুলোর কোনোটিরই বাস্তব ভিত্তি নেই। দলের নেতৃত্ব বেগবান করা এবং রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা রাখার কারণেই সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এসব মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন মামলায় তাঁকে জড়ানো হয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে মামলা-হামলায় জর্জরিত ও নির্যাতিত এই ত্যাগী নেতা নিজের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড স্বাভাবিক করার লক্ষ্যে তাঁর বিরুদ্ধে থাকা সবকটি সাজানো মামলা থেকে নিঃশর্ত অব্যাহতি ও মুক্তি দাবি করেছেন। এ ব্যাপারে তিনি দলীয় হাইকমান্ড তথা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিশেষ হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬
পাবনা জেলা বিএনপির রাজনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহ্যবাহী এলাকা হিসেবে পরিচিত বেড়া উপজেলার কৈটোলা ইউনিয়ন। স্বাধীনতার পর থেকে অসংখ্য ত্যাগী ও একনিষ্ঠ নেতাকর্মীর জন্ম দিয়েছে এই অঞ্চল। পাবনা জেলা বিএনপির অন্যতম রূপকার মরহুম মির্জা আব্দুল আউয়ালের জন্মস্থান কৈটোলা হওয়াতেই দীর্ঘদিন ধরে এটি বিএনপি অধ্যুষিত এলাকা হিসেবে সারাদেশে সুনাম বহন করে আসছে।
বিএনপির এই ঐতিহ্যবাহী দুর্গে আন্দোলন-সংগ্রামের সামনের সারিতে থেকে উঠে এসেছেন তরুণ প্রজন্মের পছন্দের নেতা ও কৈটোলা ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর আলম পল্টু। বুনেদী মুসলিম পরিবারের এই সন্তান মরহুম মির্জা আব্দুল আউয়ালের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে দলটির রাজনীতিতে সক্রিয় হন। সংক্ষিপ্ত সময়েই স্থানীয় সর্বস্তরের জনগণের আস্থা অর্জন করে জিয়া পরিবারের আদর্শিক সৈনিক হিসেবে স্থান করে নেন তিনি।
তবে জাহাঙ্গীর আলম পল্টুর এই জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা তাঁর ওপর বারবার অন্যায়-অত্যাচার ও নির্যাতন চালায়। কেবল শারীরিক নির্যাতনই নয়, বেশ কয়েকবার তাঁর বাড়িঘরে ভাঙচুর ও লুটপাটও চালানো হয়।
বেড়া থানা ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জাহাঙ্গীর আলম পল্টুকে রাজনৈতিকভাবে দমানোর লক্ষ্যে দলীয় সরকারের সময় তাঁর বিরুদ্ধে অন্তত ৭টি মামলা দায়ের করা হয়। মামলাগুলোর বিবরণ—
জিআর ১২৬, তারিখ: ২১/০৭/২০২৪
জিআর ১৫৩, তারিখ: ২৯/১০/২০২৩
জিআর ১৬/২০২২
জিআর ১১৭/২০২২
জিআর ১১৮/২০১৮
জিআর ১২২/২০১৮
জিআর ১৫১/২০১২
পরিবারের স্বজন ও স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দের দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের করা এই মামলাগুলোর কোনোটিরই বাস্তব ভিত্তি নেই। দলের নেতৃত্ব বেগবান করা এবং রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা রাখার কারণেই সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এসব মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন মামলায় তাঁকে জড়ানো হয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে মামলা-হামলায় জর্জরিত ও নির্যাতিত এই ত্যাগী নেতা নিজের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড স্বাভাবিক করার লক্ষ্যে তাঁর বিরুদ্ধে থাকা সবকটি সাজানো মামলা থেকে নিঃশর্ত অব্যাহতি ও মুক্তি দাবি করেছেন। এ ব্যাপারে তিনি দলীয় হাইকমান্ড তথা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিশেষ হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন