সাংবাদিক মোহাম্মদ আজিম মিঞাকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হেনস্তা এবং নারী-সংক্রান্ত ঘটনায় জড়ানোর উদ্দেশ্যে অর্থের বিনিময়ে কথিত পরিকল্পনা করা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। ঢাকার গুলশান-২ এলাকার একটি রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত বৈঠককে কেন্দ্র করে এমন দাবি করেছেন সাংবাদিক সানজিদা। এ ঘটনায় জামাল উদ্দিন ওরফে ‘সুদি খোকন’ এবং মুক্তারের নাম উঠে এসেছে। অন্যদিকে, মুক্তারের বিরুদ্ধে পূর্বের একটি অভিযোগের ঘটনায় আজিম মিঞার মধ্যস্থতার বিষয়েও বক্তব্য দিয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্রে।
গুলশানের রেস্টুরেন্টে কথিত বৈঠক, কী পরিকল্পনার অভিযোগ?
সাংবাদিক সানজিদার বক্তব্য অনুযায়ী, ঢাকার গুলশান-২ এলাকার Café São Paulo (ক্যাফে সাঁও পাওলো), ১৭৫ গুলশান নর্থ অ্যাভিনিউ, গুলশান-২, ঢাকা-১২১২-এ জামাল উদ্দিন, মুক্তার ও সানজিদাকে নিয়ে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
সানজিদার দাবি, সেখানে আপ্যায়নের পর সাংবাদিক আজিম মিঞাকে কীভাবে হেনস্তা করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়। অর্থের বিনিময়ে কোনো নারীকে ব্যবহার করে তাঁকে নারী-সংক্রান্ত ঘটনায় জড়ানোর মতো একটি ‘প্রমাণ’ তৈরির প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছিল বলে তিনি অভিযোগ করেন।
সানজিদার ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি এ ধরনের পরিকল্পনায় সম্পৃক্ত হতে অস্বীকৃতি জানান। তাঁর দাবি, বৈঠকে মুক্তারও বলেছিলেন, আজিম মিঞার বিরুদ্ধে অন্যায় কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার মতো কোনো তথ্য বা প্রমাণ তাঁর জানা নেই। কিন্তু জামাল উদ্দিন অর্থ ব্যয় করে হলেও একটি প্রমাণ তৈরি করার বিষয়ে অনড় ছিলেন বলে সানজিদা দাবি করেন।
সানজিদার বক্তব্য অনুযায়ী, তাঁর আপত্তির পর মুক্তার জামাল উদ্দিনকে বলেন, সানজিদা বিষয়টি জেনে গেছেন; তাই আজিম মিঞাকে নিয়ে আর এগোনো সম্ভব হবে না। ফলে কথিত পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।
সেগুনবাগিচার ঘটনা ও রমনা থানায় বৈঠক
সাংবাদিক আজিম মিঞার বক্তব্য অনুযায়ী, ঢাকার সেগুনবাগিচায় কচিকাঁচা মিলনায়তন অডিটোরিয়ামে একটি অনুষ্ঠানে এক নারীর সঙ্গে মুক্তারের বাক্বিতণ্ডা হয়। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নারীটি মুক্তারের বিরুদ্ধে মানহানির অভিযোগ এনে রমনা থানায় অভিযোগ করেন বলে জানান আজিম মিঞা।
তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, অভিযোগের পর মুক্তারকে রমনা থানায় তলব করা হলে কর্তব্যরত এসআই প্রদীপের নেতৃত্বে সংশ্লিষ্টদের নিয়ে একটি বৈঠকের ব্যবস্থা করা হয়। মুক্তার একা যেতে না চাওয়ায় আজিম মিঞাকে সঙ্গে নিয়ে সেখানে যান।
আজিম মিঞার দাবি, বৈঠকে মুক্তারের বক্তব্য ও আচরণ নিয়ে আপত্তি ওঠে। পরবর্তী সময়ে মুক্তার নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি থেকে লাইভে এসে ক্ষমা চান বলে তিনি জানান।
এসআই প্রদীপের বক্তব্য ঘিরে নতুন তথ্য
আজিম মিঞার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রমনা থানার তৎকালীন কর্তব্যরত এসআই প্রদীপও ওই দিনের ঘটনায় তাঁর উপস্থিতি ও মধ্যস্থতার গুরুত্বের বিষয়টি স্বীকার করেছেন বলে দাবি করা হয়েছে।
আজিম মিঞার ভাষ্য অনুযায়ী, এসআই প্রদীপের বক্তব্য ছিল—সেদিন তিনি মুক্তারের সঙ্গে না থাকলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারত। মুক্তারের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ, তাঁর সাংবাদিক পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন এবং সংশ্লিষ্ট পত্রিকার সম্পাদকের বক্তব্য—সব মিলিয়ে পরিস্থিতি তাঁর জন্য প্রতিকূল হয়ে উঠেছিল।
আজিম মিঞার দাবি, মুক্তার দীর্ঘদিন ধরে নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে আসছিলেন। কিন্তু তিনি যে পত্রিকার সাংবাদিক হিসেবে নিজের পরিচয় দিতেন, সেই পত্রিকার সম্পাদকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে সম্পাদক মুক্তারকে তাঁদের প্রতিষ্ঠানের সাংবাদিক হিসেবে অস্বীকার করেন বলে তাঁকে জানানো হয়।
আজিম মিঞার বক্তব্য অনুযায়ী, ওই পরিস্থিতিতে অভিযোগকারী নারীও উপস্থিত সবার সামনে বলেন, “আজিম ভাইয়ের কারণে মুক্তারকে আমি মুক্ত করে দিলাম। তিনি একজন মানবিক মানুষ।
আজিম মিঞার দাবি, প্রায় চার ঘণ্টা ধরে আলোচনা ও সমঝোতার উদ্যোগের পর পরিস্থিতির সমাধান হয় এবং তিনি মুক্তারকে থানা থেকে ছাড়িয়ে আনতে সহযোগিতা করেন।
আজিম মিঞার বক্তব্য অনুযায়ী, পরবর্তী সময়ে তিনি মুক্তারকে নিজের অফিসে কাজ করার সুযোগ দেন এবং আর্থিক সহায়তাসহ বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেন। কিন্তু মুক্তারের কথিত অনিয়ম ও আচরণ নিয়ে আপত্তি তৈরি হলে তাঁকে অফিস থেকে বের করে দেওয়া হয় এবং অফিসে তালা লাগানো হয়।
আজিম মিঞার অভিযোগ, এরপর মুক্তার তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি থেকে তাঁকে লক্ষ্য করে বিভিন্ন ধরনের পোস্ট দিতে থাকেন। পরবর্তী সময়ে জামাল উদ্দিন ওরফে ‘সুদি খোকন’ মুক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ ও ঘনিষ্ঠতা তৈরি করে তাঁকে ব্যবহার করে আজিম মিঞাকে হেনস্তার চেষ্টা করেন ।
আজিম মিঞার আরও অভিযোগ, তাঁর গ্রামের এলাকায় এক বাক্প্রতিবন্ধী ছেলের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলার একটি ভিডিও থেকে অংশবিশেষ কেটে তার পাশে ইউটিউব থেকে নেওয়া এক নারীর ভিডিও যুক্ত করে তাঁকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হেনস্তার চেষ্টা করা হয়েছে।এ ঘটনায় জামাল উদ্দিন ও তাঁর সহযোগীদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ তুলেছেন তিনি।
মুক্তারকে ঘিরে আরও অভিযোগ
মুক্তারের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে বলে বিভিন্ন মাধ্যমে তথ্য পাওয়ার দাবি করা হয়েছে। এর মধ্যে তমা নামের এক নারীর ব্যক্তিগত ভিডিও তাঁর অনুমতি ছাড়া বিভিন্ন ব্যক্তির মোবাইলে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। এ ঘটনায় সাইবার অপরাধ-সংক্রান্ত একটি মামলার বিচারিক কার্যক্রম চলমান বলে দাবি করা হয়েছে।
সাংবাদিক সানজিদা ওই মামলার একজন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী বলেও দাবি করা হয়েছে। এ ছাড়া সিআইডিতে মোবাইল ফোন জমা দেওয়ার বিষয়ে অঙ্গীকারনামা দেওয়ার পরও মুক্তার ফোন জমা দেননি বলে অভিযোগ রয়েছে।
সাংবাদিক সানজিদার ভাষ্য, তিনি কথিত বৈঠকের বিষয়ে প্রত্যক্ষভাবে অবগত এবং প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মুখোমুখি হয়ে বক্তব্য দিতে প্রস্তুত।
তিনি বলেন, “তাদের দুজনকে যদি একসঙ্গে আমার সামনে করা হয়, তাহলে আমি সরাসরি তাদের সামনে ওই দিনের ষড়যন্ত্রের বিষয়ে বক্তব্য দেব।”
সানজিদার দাবি, একজন ব্যক্তিকে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে কিংবা অর্থের বিনিময়ে নারী-সংক্রান্ত ঘটনায় জড়িয়ে হয়রানি করার কোনো পরিকল্পনাকে তিনি সমর্থন করেন না।

রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ অক্টোবর ২০২৬
সাংবাদিক মোহাম্মদ আজিম মিঞাকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হেনস্তা এবং নারী-সংক্রান্ত ঘটনায় জড়ানোর উদ্দেশ্যে অর্থের বিনিময়ে কথিত পরিকল্পনা করা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। ঢাকার গুলশান-২ এলাকার একটি রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত বৈঠককে কেন্দ্র করে এমন দাবি করেছেন সাংবাদিক সানজিদা। এ ঘটনায় জামাল উদ্দিন ওরফে ‘সুদি খোকন’ এবং মুক্তারের নাম উঠে এসেছে। অন্যদিকে, মুক্তারের বিরুদ্ধে পূর্বের একটি অভিযোগের ঘটনায় আজিম মিঞার মধ্যস্থতার বিষয়েও বক্তব্য দিয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্রে।
গুলশানের রেস্টুরেন্টে কথিত বৈঠক, কী পরিকল্পনার অভিযোগ?
সাংবাদিক সানজিদার বক্তব্য অনুযায়ী, ঢাকার গুলশান-২ এলাকার Café São Paulo (ক্যাফে সাঁও পাওলো), ১৭৫ গুলশান নর্থ অ্যাভিনিউ, গুলশান-২, ঢাকা-১২১২-এ জামাল উদ্দিন, মুক্তার ও সানজিদাকে নিয়ে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
সানজিদার দাবি, সেখানে আপ্যায়নের পর সাংবাদিক আজিম মিঞাকে কীভাবে হেনস্তা করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়। অর্থের বিনিময়ে কোনো নারীকে ব্যবহার করে তাঁকে নারী-সংক্রান্ত ঘটনায় জড়ানোর মতো একটি ‘প্রমাণ’ তৈরির প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছিল বলে তিনি অভিযোগ করেন।
সানজিদার ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি এ ধরনের পরিকল্পনায় সম্পৃক্ত হতে অস্বীকৃতি জানান। তাঁর দাবি, বৈঠকে মুক্তারও বলেছিলেন, আজিম মিঞার বিরুদ্ধে অন্যায় কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার মতো কোনো তথ্য বা প্রমাণ তাঁর জানা নেই। কিন্তু জামাল উদ্দিন অর্থ ব্যয় করে হলেও একটি প্রমাণ তৈরি করার বিষয়ে অনড় ছিলেন বলে সানজিদা দাবি করেন।
সানজিদার বক্তব্য অনুযায়ী, তাঁর আপত্তির পর মুক্তার জামাল উদ্দিনকে বলেন, সানজিদা বিষয়টি জেনে গেছেন; তাই আজিম মিঞাকে নিয়ে আর এগোনো সম্ভব হবে না। ফলে কথিত পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।
সেগুনবাগিচার ঘটনা ও রমনা থানায় বৈঠক
সাংবাদিক আজিম মিঞার বক্তব্য অনুযায়ী, ঢাকার সেগুনবাগিচায় কচিকাঁচা মিলনায়তন অডিটোরিয়ামে একটি অনুষ্ঠানে এক নারীর সঙ্গে মুক্তারের বাক্বিতণ্ডা হয়। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নারীটি মুক্তারের বিরুদ্ধে মানহানির অভিযোগ এনে রমনা থানায় অভিযোগ করেন বলে জানান আজিম মিঞা।
তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, অভিযোগের পর মুক্তারকে রমনা থানায় তলব করা হলে কর্তব্যরত এসআই প্রদীপের নেতৃত্বে সংশ্লিষ্টদের নিয়ে একটি বৈঠকের ব্যবস্থা করা হয়। মুক্তার একা যেতে না চাওয়ায় আজিম মিঞাকে সঙ্গে নিয়ে সেখানে যান।
আজিম মিঞার দাবি, বৈঠকে মুক্তারের বক্তব্য ও আচরণ নিয়ে আপত্তি ওঠে। পরবর্তী সময়ে মুক্তার নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি থেকে লাইভে এসে ক্ষমা চান বলে তিনি জানান।
এসআই প্রদীপের বক্তব্য ঘিরে নতুন তথ্য
আজিম মিঞার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রমনা থানার তৎকালীন কর্তব্যরত এসআই প্রদীপও ওই দিনের ঘটনায় তাঁর উপস্থিতি ও মধ্যস্থতার গুরুত্বের বিষয়টি স্বীকার করেছেন বলে দাবি করা হয়েছে।
আজিম মিঞার ভাষ্য অনুযায়ী, এসআই প্রদীপের বক্তব্য ছিল—সেদিন তিনি মুক্তারের সঙ্গে না থাকলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারত। মুক্তারের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ, তাঁর সাংবাদিক পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন এবং সংশ্লিষ্ট পত্রিকার সম্পাদকের বক্তব্য—সব মিলিয়ে পরিস্থিতি তাঁর জন্য প্রতিকূল হয়ে উঠেছিল।
আজিম মিঞার দাবি, মুক্তার দীর্ঘদিন ধরে নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে আসছিলেন। কিন্তু তিনি যে পত্রিকার সাংবাদিক হিসেবে নিজের পরিচয় দিতেন, সেই পত্রিকার সম্পাদকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে সম্পাদক মুক্তারকে তাঁদের প্রতিষ্ঠানের সাংবাদিক হিসেবে অস্বীকার করেন বলে তাঁকে জানানো হয়।
আজিম মিঞার বক্তব্য অনুযায়ী, ওই পরিস্থিতিতে অভিযোগকারী নারীও উপস্থিত সবার সামনে বলেন, “আজিম ভাইয়ের কারণে মুক্তারকে আমি মুক্ত করে দিলাম। তিনি একজন মানবিক মানুষ।
আজিম মিঞার দাবি, প্রায় চার ঘণ্টা ধরে আলোচনা ও সমঝোতার উদ্যোগের পর পরিস্থিতির সমাধান হয় এবং তিনি মুক্তারকে থানা থেকে ছাড়িয়ে আনতে সহযোগিতা করেন।
আজিম মিঞার বক্তব্য অনুযায়ী, পরবর্তী সময়ে তিনি মুক্তারকে নিজের অফিসে কাজ করার সুযোগ দেন এবং আর্থিক সহায়তাসহ বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেন। কিন্তু মুক্তারের কথিত অনিয়ম ও আচরণ নিয়ে আপত্তি তৈরি হলে তাঁকে অফিস থেকে বের করে দেওয়া হয় এবং অফিসে তালা লাগানো হয়।
আজিম মিঞার অভিযোগ, এরপর মুক্তার তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি থেকে তাঁকে লক্ষ্য করে বিভিন্ন ধরনের পোস্ট দিতে থাকেন। পরবর্তী সময়ে জামাল উদ্দিন ওরফে ‘সুদি খোকন’ মুক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ ও ঘনিষ্ঠতা তৈরি করে তাঁকে ব্যবহার করে আজিম মিঞাকে হেনস্তার চেষ্টা করেন ।
আজিম মিঞার আরও অভিযোগ, তাঁর গ্রামের এলাকায় এক বাক্প্রতিবন্ধী ছেলের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলার একটি ভিডিও থেকে অংশবিশেষ কেটে তার পাশে ইউটিউব থেকে নেওয়া এক নারীর ভিডিও যুক্ত করে তাঁকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হেনস্তার চেষ্টা করা হয়েছে।এ ঘটনায় জামাল উদ্দিন ও তাঁর সহযোগীদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ তুলেছেন তিনি।
মুক্তারকে ঘিরে আরও অভিযোগ
মুক্তারের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে বলে বিভিন্ন মাধ্যমে তথ্য পাওয়ার দাবি করা হয়েছে। এর মধ্যে তমা নামের এক নারীর ব্যক্তিগত ভিডিও তাঁর অনুমতি ছাড়া বিভিন্ন ব্যক্তির মোবাইলে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। এ ঘটনায় সাইবার অপরাধ-সংক্রান্ত একটি মামলার বিচারিক কার্যক্রম চলমান বলে দাবি করা হয়েছে।
সাংবাদিক সানজিদা ওই মামলার একজন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী বলেও দাবি করা হয়েছে। এ ছাড়া সিআইডিতে মোবাইল ফোন জমা দেওয়ার বিষয়ে অঙ্গীকারনামা দেওয়ার পরও মুক্তার ফোন জমা দেননি বলে অভিযোগ রয়েছে।
সাংবাদিক সানজিদার ভাষ্য, তিনি কথিত বৈঠকের বিষয়ে প্রত্যক্ষভাবে অবগত এবং প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মুখোমুখি হয়ে বক্তব্য দিতে প্রস্তুত।
তিনি বলেন, “তাদের দুজনকে যদি একসঙ্গে আমার সামনে করা হয়, তাহলে আমি সরাসরি তাদের সামনে ওই দিনের ষড়যন্ত্রের বিষয়ে বক্তব্য দেব।”
সানজিদার দাবি, একজন ব্যক্তিকে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে কিংবা অর্থের বিনিময়ে নারী-সংক্রান্ত ঘটনায় জড়িয়ে হয়রানি করার কোনো পরিকল্পনাকে তিনি সমর্থন করেন না।

আপনার মতামত লিখুন