আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিভিন্ন মামলায় মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন ও বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ডে দণ্ডিত হওয়ায় পুলিশের ছয় কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ-১ শাখা থেকে জারি করা পৃথক ছয়টি প্রজ্ঞাপনে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনগুলোতে স্বাক্ষর করেন সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের রায়ের তারিখ থেকেই এই কর্মকর্তাদের বরখাস্তের আদেশ কার্যকর ধরা হয়েছে। দণ্ডিত ছয় কর্মকর্তার মধ্যে একজনকে মৃত্যুদণ্ড, চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং একজনকে ছয় বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বরখাস্ত হওয়া ৬ কর্মকর্তা ও তাদের সাজা:
ডিআইজি সৈয়দ নুরুল ইসলাম: রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত (সাবেক ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি) সৈয়দ নুরুল ইসলামকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর একটি মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। চলতি বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে তার চাকরিচ্যুতি কার্যকর করা হয়েছে।
পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান: রাজশাহীর সারদায় সংযুক্ত (সাবেক ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার) আসাদুজ্জামানকে ট্রাইব্যুনাল-২-এর মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তার বরখাস্তও চলতি বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর ধরা হয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহ আলম মো. আখতারুল ইসলাম: সিলেট ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে কর্মরত (সাবেক ডিএমপির রমনা জোনের এডিসি) আখতারুল ইসলামকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর মামলায় মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। চলতি বছরের ২৬ জানুয়ারি থেকে তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আব্দুল্লাহিল কাফি: ঢাকা জেলায় কর্মরত কাফিকে ট্রাইব্যুনাল-২-এর মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। চলতি বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে তার বরখাস্ত কার্যকর হয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শহিদুল ইসলাম: কক্সবাজার ১৬ এপিবিএনে কর্মরত (সাবেক ঢাকা জেলার সাভার সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার) শহিদুল ইসলামকে ট্রাইব্যুনাল-২-এর মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তার চাকরিচ্যুতি চলতি বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর করা হয়েছে।
সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মোহাম্মদ ইমরুল: কক্সবাজারের উখিয়া ৮ এপিবিএনে কর্মরত (সাবেক ডিএমপির রমনা জোনের এসি) ইমরুলকে ট্রাইব্যুনাল-১-এর মামলায় ছয় বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। চলতি বছরের ২৬ জানুয়ারি থেকে তার বরখাস্ত কার্যকর করা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত চূড়ান্ত রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে সরকারি চাকরি আইন অনুযায়ী তাদের এই চাকরিচ্যুত ও বরখাস্তের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিভিন্ন মামলায় মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন ও বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ডে দণ্ডিত হওয়ায় পুলিশের ছয় কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ-১ শাখা থেকে জারি করা পৃথক ছয়টি প্রজ্ঞাপনে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনগুলোতে স্বাক্ষর করেন সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের রায়ের তারিখ থেকেই এই কর্মকর্তাদের বরখাস্তের আদেশ কার্যকর ধরা হয়েছে। দণ্ডিত ছয় কর্মকর্তার মধ্যে একজনকে মৃত্যুদণ্ড, চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং একজনকে ছয় বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বরখাস্ত হওয়া ৬ কর্মকর্তা ও তাদের সাজা:
ডিআইজি সৈয়দ নুরুল ইসলাম: রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত (সাবেক ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি) সৈয়দ নুরুল ইসলামকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর একটি মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। চলতি বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে তার চাকরিচ্যুতি কার্যকর করা হয়েছে।
পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান: রাজশাহীর সারদায় সংযুক্ত (সাবেক ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার) আসাদুজ্জামানকে ট্রাইব্যুনাল-২-এর মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তার বরখাস্তও চলতি বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর ধরা হয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহ আলম মো. আখতারুল ইসলাম: সিলেট ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে কর্মরত (সাবেক ডিএমপির রমনা জোনের এডিসি) আখতারুল ইসলামকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর মামলায় মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। চলতি বছরের ২৬ জানুয়ারি থেকে তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আব্দুল্লাহিল কাফি: ঢাকা জেলায় কর্মরত কাফিকে ট্রাইব্যুনাল-২-এর মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। চলতি বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে তার বরখাস্ত কার্যকর হয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শহিদুল ইসলাম: কক্সবাজার ১৬ এপিবিএনে কর্মরত (সাবেক ঢাকা জেলার সাভার সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার) শহিদুল ইসলামকে ট্রাইব্যুনাল-২-এর মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তার চাকরিচ্যুতি চলতি বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর করা হয়েছে।
সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মোহাম্মদ ইমরুল: কক্সবাজারের উখিয়া ৮ এপিবিএনে কর্মরত (সাবেক ডিএমপির রমনা জোনের এসি) ইমরুলকে ট্রাইব্যুনাল-১-এর মামলায় ছয় বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। চলতি বছরের ২৬ জানুয়ারি থেকে তার বরখাস্ত কার্যকর করা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত চূড়ান্ত রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে সরকারি চাকরি আইন অনুযায়ী তাদের এই চাকরিচ্যুত ও বরখাস্তের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন