র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) বিলুপ্ত করে নবগঠিত 'স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন' (এসআরবি)-কে প্রথমবারের মতো কোনো ফৌজদারি মামলার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। রাজধানীর মিরপুরে বাড়ি দখল, মারধর ও চাঁদা দাবির অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলার তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করতে সংস্থাটিকে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ শেষে এ আদেশ দেন। ঢাকার সিএমএম আদালতের নাজির আবুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, রূপান্তরের পর এই প্রথম কোনো মামলার তদন্তের জন্য আদালত এসআরবিকে সরাসরি নির্দেশ দিলেন।
আদালতের আদেশে উল্লেখ করা হয়, এসআরবি আইনের ১০(গ) ধারা অনুযায়ী মাদক, সাইবার অপরাধ এবং ভূমি ও ভূমিদস্যুতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিশেষ এখতিয়ার রয়েছে সংস্থাটির। অভিযোগটি ভূমি সংক্রান্ত হওয়ায় আইনি বিধান মোতাবেক এসআরবিকে এর তদন্তভার দেওয়া হয়েছে। আদেশে আরও বলা হয়, এসআরবি আইনের ১৫(২) ধারা অনুযায়ী সংস্থাটির মহাপরিচালককে তাঁর অধীনস্থ উপ-পরিদর্শক (এসআই) বা তার ঊর্ধ্বতন পদমর্যাদার কোনো কর্মকর্তাকে দিয়ে মামলাটি তদন্ত করিয়ে দ্রুত আদালতে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।
মামলায় অভিযুক্ত আসামিরা হলেন— হেমায়েত উদ্দিন সুমন, মো. নাজমুল হোসেন ও মুন্নী আক্তার মিষ্টি।
মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, মিরপুর হাউজিং এস্টেট এলাকার একটি বহুতল ভবনের মালিক মো. ইউনুস আলী ও মিসেস রুমা আক্তার বর্তমানে কানাডায় অবস্থান করছেন। বাংলাদেশে তাঁদের স্থাবর সম্পত্তি দেখাশোনা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করছিলেন তাঁদের আপন চাচা মো. মিজানুর রহমান ওরফে বাচ্চু।
অভিযোগে বলা হয়, মূল মালিকদের অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে বাড়িটি দখলের অপচেষ্টা চালিয়ে আসছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২৫ সালের ১৬ জুলাই হেমায়েত উদ্দিন সুমনের নেতৃত্বে আসামিরা বেআইনিভাবে বাড়িতে প্রবেশ করে তা দখলের চেষ্টা চালান। এতে বাধা দিলে বাদীকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় এবং ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়।
বাদী চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আসামিরা ভবনে ভাঙচুর চালান এবং নগদ দুই লাখ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যান বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে। পরবর্তীতে মো. মিজানুর রহমান বাদী হয়ে আদালতে এ মামলা দায়ের করেন। আদালতের আদেশের পর এখন মামলাটির আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করতে যাচ্ছে এসআরবি।

রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) বিলুপ্ত করে নবগঠিত 'স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন' (এসআরবি)-কে প্রথমবারের মতো কোনো ফৌজদারি মামলার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। রাজধানীর মিরপুরে বাড়ি দখল, মারধর ও চাঁদা দাবির অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলার তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করতে সংস্থাটিকে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ শেষে এ আদেশ দেন। ঢাকার সিএমএম আদালতের নাজির আবুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, রূপান্তরের পর এই প্রথম কোনো মামলার তদন্তের জন্য আদালত এসআরবিকে সরাসরি নির্দেশ দিলেন।
আদালতের আদেশে উল্লেখ করা হয়, এসআরবি আইনের ১০(গ) ধারা অনুযায়ী মাদক, সাইবার অপরাধ এবং ভূমি ও ভূমিদস্যুতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিশেষ এখতিয়ার রয়েছে সংস্থাটির। অভিযোগটি ভূমি সংক্রান্ত হওয়ায় আইনি বিধান মোতাবেক এসআরবিকে এর তদন্তভার দেওয়া হয়েছে। আদেশে আরও বলা হয়, এসআরবি আইনের ১৫(২) ধারা অনুযায়ী সংস্থাটির মহাপরিচালককে তাঁর অধীনস্থ উপ-পরিদর্শক (এসআই) বা তার ঊর্ধ্বতন পদমর্যাদার কোনো কর্মকর্তাকে দিয়ে মামলাটি তদন্ত করিয়ে দ্রুত আদালতে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।
মামলায় অভিযুক্ত আসামিরা হলেন— হেমায়েত উদ্দিন সুমন, মো. নাজমুল হোসেন ও মুন্নী আক্তার মিষ্টি।
মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, মিরপুর হাউজিং এস্টেট এলাকার একটি বহুতল ভবনের মালিক মো. ইউনুস আলী ও মিসেস রুমা আক্তার বর্তমানে কানাডায় অবস্থান করছেন। বাংলাদেশে তাঁদের স্থাবর সম্পত্তি দেখাশোনা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করছিলেন তাঁদের আপন চাচা মো. মিজানুর রহমান ওরফে বাচ্চু।
অভিযোগে বলা হয়, মূল মালিকদের অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে বাড়িটি দখলের অপচেষ্টা চালিয়ে আসছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২৫ সালের ১৬ জুলাই হেমায়েত উদ্দিন সুমনের নেতৃত্বে আসামিরা বেআইনিভাবে বাড়িতে প্রবেশ করে তা দখলের চেষ্টা চালান। এতে বাধা দিলে বাদীকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় এবং ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়।
বাদী চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আসামিরা ভবনে ভাঙচুর চালান এবং নগদ দুই লাখ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যান বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে। পরবর্তীতে মো. মিজানুর রহমান বাদী হয়ে আদালতে এ মামলা দায়ের করেন। আদালতের আদেশের পর এখন মামলাটির আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করতে যাচ্ছে এসআরবি।

আপনার মতামত লিখুন