উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
||
নিজস্ব প্রতিবেদক:রাজধানীর কদমতলী থানাধীন মাতুয়াইল এলাকা থেকে ৫ হাজার ২০০ পিস ইয়াবাসহ হোসাইন শরীফ ওরফে সোহেল (৪৫) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত প্রেস লেখা একটি নোয়া মাইক্রোবাস, দুটি টিভি চ্যানেলের বুম, ভিডিও ক্যামেরা এবং বেশ কিছু আলামত জব্দ করা হয়।প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি আগে সাংবাদিকতার সঙ্গে জড়িত থাকলেও বর্তমানে সাংবাদিকতার আড়ালে গাড়িতে ‘প্রেস’ স্টিকার ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন।বুধবার (২৮ অক্টোবর) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা মেট্রো (দক্ষিণ) কার্যালয় সূত্রে এই তথ্য জানা যায়।অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. হাসান মারুফের নির্দেশ এবং ঢাকা মেট্রো (দক্ষিণ) কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আনোয়ার হোসেনের তত্ত্বাবধানে এই অভিযান পরিচালিত হয়। পরিদর্শক মো. লোকমান হোসেনের নেতৃত্বে ডিএনসির একটি চৌকস টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সকাল সাড়ে ৬টার দিকে কদমতলী থানার মাতুয়াইল মুক্তি সরণী পোল্ডার রোডস্থ মেসার্স খান অ্যান্ড চৌধুরী ফিলিং স্টেশনের আশপাশে অবস্থান নেয়।পরে কক্সবাজার থেকে ছেড়ে আসা ‘প্রেস’ লেখা একটি নোয়া মাইক্রোবাস ঘেরাও করে তল্লাশি চালানো হয়। স্থানীয় সাক্ষী ও পাম্প কর্মচারীদের উপস্থিতিতে গাড়িচালক হোসাইন শরীফকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি সদুত্তর দিতে ব্যর্থ হন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গাড়ির স্টিয়ারিং বক্সের ভেতর থেকে ৪ হাজার ২০০ পিস এবং তার পরিহিত প্যান্টের পকেট থেকে আরও ১ হাজার পিসসহ মোট ৫ হাজার ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়, যার মোট ওজন ৫২০ গ্রাম।অভিযানে ইয়াবা বিক্রির কাজে ব্যবহৃত ১টি নোয়া মাইক্রোবাস, স্ট্যান্ডসহ ১টি প্যানাসনিক ভিডিও ক্যামেরা, এশিয়ান টিভি ও সরেজমিন লোগোযুক্ত ২টি বুম, ৩টি মোবাইল ফোন এবং মাদক বহনের অন্যান্য সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী কদমতলী থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে এবং মাদক নির্মূলে এই ধারা অব্যাহত থাকবে।