উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
||
নিজস্ব প্রতিবেদক:রাজধানীর গুলশান-২ এলাকায় ‘জার্মান ক্লাব’ নামের ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে পরিচালিত একটি অবৈধ বারে অভিযান চালিয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) গভীর রাতে চালানো এই অভিযানে ‘সেভেনটি এইট রেস্টহাউজ’ নামের ওই প্রতিষ্ঠানটি থেকে বিপুল পরিমাণ অবৈধ বিদেশি মদ ও বিয়ার জব্দ করা হয়েছে। এ সময় ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং অপর ১ জন পলাতক রয়েছে।গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির নাম মোঃ আতাউর রহমান শামীম (৪২), যিনি রেস্টহাউজটির ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। অন্যদিকে, ঘটনায় জড়িত মোঃ ওমর জামিল (৪৫) নামে অপর অভিযুক্ত অভিযানের সময় উপস্থিত না থাকায় তাঁকে পলাতক আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।ডিএনসি সূত্র জানায়, গুলশান-২-এর ১০৪ নম্বর সড়কের ২৪ নম্বর বাসায় অবস্থিত ‘সেভেনটি এইট রেস্টহাউজ সোসাইটি’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানে কোনো ধরণের বার লাইসেন্স ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে বিদেশি মদ মজুত ও বেচাকেনা করা হচ্ছিল। তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ের পর শুক্রবার রাত আনুমানিক আড়াইটায় ডিএনসির একটি দল সেখানে অভিযান পরিচালনা করে।প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটি নিজেদের তথাকথিত ‘জার্মান ক্লাব’ পরিচয়ে পরিচালনা করে আসছিল, যার প্রকৃতপক্ষে কোনো বৈধ অস্তিত্ব বা প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এই ভুয়া পরিচয়ের আড়ালে রেস্টহাউজটিতে টিকিটের মাধ্যমে ডিজে পার্টির আয়োজন করা হতো এবং আগতদের কাছে অবৈধ বিদেশি মদ ও বিয়ার সরবরাহ করা হতো।অভিযানে উদ্ধার করা মাদকের মধ্যে রয়েছে ২২৩ বোতলে মোট ১৭৭ লিটার বিদেশি মদ এবং ২০৯টি বোতল ও ক্যানে রক্ষিত ৬৭ লিটার বিয়ার। সব মিলিয়ে জব্দকৃত মদের পরিমাণ দাঁড়ায় ২৪৪ লিটার। আটক ম্যানেজার তাৎক্ষণিকভাবে এসব মাদকের কোনো বৈধ কাগজপত্র প্রদর্শন করতে পারেননি।ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের অতিরিক্ত পরিচালক জাহিদ হোসেন মোল্লার নেতৃত্বে এই অভিযানে ডিএনসির প্রধান কার্যালয়, ঢাকা বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয় এবং ঢাকা মেট্রো (উত্তর ও দক্ষিণ) কার্যালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা অংশ নেন।ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় গুলশান থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।ডিএনসি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অবৈধ মাদকের বিস্তার রোধ ও অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে এ ধরনের অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারি ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে