উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
||
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার ১০ নম্বর নরোত্তমপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের জনপ্রতিনিধি আনোয়ার হোসেন পলাশকে ঘিরে ফের স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এবার আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে তার বাড়িতে পালন করা ছাগল এবং সেগুলো নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার অভিযোগ।স্থানীয়দের অভিযোগ, পলাশ মেম্বারের বাড়িতে বেশ কয়েকটি ছাগল পালন করা হয়। কিন্তু ছাগলগুলো যথাযথভাবে নিয়ন্ত্রণে না রাখায় সেগুলো আশপাশের মানুষের বাড়ি ও জায়গায় ঢুকে বিভিন্ন গাছের চারা, শাকসবজি ও অন্যান্য গাছপালা নষ্ট করছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ ও বিরক্তি তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।স্থানীয়দের প্রশ্ন—একজন জনপ্রতিনিধির নিজের পালন করা গবাদিপশু যদি আশপাশের মানুষের সম্পদ ও গাছপালার ক্ষতি করে, তাহলে এর দায়ভার কে নেবে? তাদের মতে, গবাদিপশু পালন ব্যক্তিগত বিষয় হলেও তা নিয়ন্ত্রণে রাখা মালিকের দায়িত্ব।অভিযোগের তালিকায় নতুন মাত্রাআনোয়ার হোসেন পলাশকে ঘিরে এর আগেও এলাকায় বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ ও আলোচনা রয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। মাদক, সামাজিক প্রভাব বিস্তার এবং নারীসংক্রান্ত বিভিন্ন অভিযোগ নিয়েও বিভিন্ন সময়ে আলোচনা হয়েছে বলে স্থানীয়দের দাবি।তবে এসব অভিযোগের সবগুলোই স্বতন্ত্রভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। অভিযোগ আর প্রমাণিত ঘটনা এক বিষয় নয়—এ কারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও প্রত্যক্ষ তথ্যের ভিত্তিতেই এসব বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসা প্রয়োজন।স্থানীয়দের একাংশের বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরে জনপ্রতিনিধিত্বের সঙ্গে যুক্ত একজন ব্যক্তিকে ঘিরে যদি একের পর এক অভিযোগ ওঠে, তাহলে সেগুলো এড়িয়ে না গিয়ে প্রতিটি অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা জরুরি।ছাগল থেকে জনপ্রতিনিধিত্ব—প্রশ্ন উঠছে দায়িত্ববোধ নিয়েওস্থানীয়দের ভাষায়, একটি ছাগলও যদি অন্যের গাছপালা নষ্ট করে, সেটি নিয়ন্ত্রণ করার দায়িত্ব মালিকের। সেখানে একজন জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে যখন সামাজিক বিভিন্ন বিষয়ে একের পর এক অভিযোগ ও আলোচনা সামনে আসে, তখন তার দায়িত্বশীল ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক বলে মনে করছেন তারা।এ বিষয়ে আনোয়ার হোসেন পলাশের বক্তব্য জানা সম্ভব হলে তা প্রতিবেদনের পরবর্তী অংশে গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে।