উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
||
ফরিদপুর শহরের গোয়ালচামট এলাকায় একটি ভুয়া ও নকল ওষুধ তৈরির কারখানায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ যৌন উত্তেজক ওষুধ ও বেবি জেল জব্দ করেছে র্যাব-১৯। এ ঘটনায় কারখানার মালিক, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ফরিদপুর জেলা কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক (বহিষ্কৃত) বাইজিদ হোসেন শাহেদকে কারাদণ্ড প্রদান ও দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এছাড়া পরবর্তীতে কারখানার ম্যানেজার জিল্লুর রহমানকে আটক করে কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ৯টার দিকে শহরের গোয়ালচামট ১ নম্বর সড়কের ‘জনতা ল্যাবরেটরিজ আয়ুর্বেদিক’ নামের প্রতিষ্ঠানে দ্বিতীয় দফায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। এর আগে এনসিপি ফরিদপুর জেলা কমিটি এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার অভিযোগে বায়জিদ হোসেন শাহেদকে দল থেকে বরখাস্ত করে।র্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার প্রথমে কারখানার মালিক বাইজিদ হোসেন শাহেদকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাঁকে ছয় মাসের কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। তাঁর দেওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে বৃহস্পতিবার রাতে ‘জনতা ল্যাবরেটরিজ আয়ুর্বেদিক’-এ দ্বিতীয় দফায় অভিযান চালায় র্যাব-১৯। অভিযানে বিপুল পরিমাণ জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর যৌন উত্তেজক ওষুধ ও শিশুদের জন্য ক্ষতিকর নকল জেলি উদ্ধার করা হয়। এ সময় কারখানা কর্তৃপক্ষ ওষুধ উৎপাদনের কোনো বৈধ কাগজপত্র বা সরকারি সনদ প্রদর্শন করতে ব্যর্থ হয়।আদালত সূত্রে জানা যায়, দ্বিতীয় দফার অভিযান শেষে ভ্রাম্যমাণ আদালত কারখানার ম্যানেজার জিল্লুর রহমানকে ২০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। জব্দ করা ক্ষতিকারক তরল ওষুধগুলো স্থানীয় একটি ডোবায় ফেলে বিনষ্ট করা হয় এবং অন্যান্য মালামাল ও সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। ওষুধ তৈরির ভারী যন্ত্রপাতি জব্দ করে সংশ্লিষ্ট বাড়ির মালিকের জিম্মায় রাখা হয়েছে। র্যাব-১৯-এর কোম্পানি অধিনায়ক মেজর ফারহানের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।বিষয়টি নিশ্চিত করে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার সাকিব রহমান আকাশ জানান, আটক শাহেদের তথ্যের ভিত্তিতেই এই আয়ুর্বেদিক কারখানায় পুনর্দফায় অভিযান চালানো হয়। অনুমোদনহীন এই কারখানায় মানবদেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর নকল ওষুধ তৈরি করা হচ্ছিল।