উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
||
রাজধানীর আজিমপুরে এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় এক নারীসহ দুই আসামিকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের আটক রাখার আবেদন মঞ্জুর করে আজ রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রৌনক জাহান তাকির আদালত এ আদেশ দেন।কারাগারে পাঠানো আসামিরা হলেন— সুপ্রিম কোর্টের ১৬তম গ্রেডের কর্মচারী (এমএলএসএস/পিয়ন) নুরুল আমিন (৪৫) এবং তার সহযোগী লুৎফন নাহার (৪২)।মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী তরুণীর বাবার মৃত্যুর পর তার মা দ্বিতীয় বিয়ে করেন। আর্থিক সংকটে পড়ে পরিচিত লুৎফন নাহারের বাসায় প্রায় এক মাস আগে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ শুরু করেন ওই তরুণী। গত ১৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় সরকারি কোয়ার্টারের একটি বাসায় কাজ দেওয়ার কথা বলে লুৎফন নাহার তরুণীকে আজিমপুরের চায়না বিল্ডিং কোয়ার্টারের ৫ নম্বর ভবনের পঞ্চম তলায় নুরুল আমিনের বাসায় নিয়ে যান। সেখানে নুরুল আমিন ছাড়া আর কেউ ছিলেন না। তরুণীকে ঘরের ভেতর রেখে লুৎফন নাহার বাইরে অপেক্ষা করছিলেন।অভিযোগ করা হয়, ঘরে একা পেয়ে নুরুল আমিন জোরপূর্বক ওই তরুণীকে ধর্ষণ করেন। তরুণীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করেন। পরে স্থানীয়রা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে কল দিলে লালবাগ থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভুক্তভোগীকে উদ্ধারসহ দুই আসামিকে আটক করে।মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা লালবাগ থানার পরিদর্শক নাজমুল হোসেন জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার দুই আসামি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কারাগারে আটকে রাখার আবেদন জানিয়ে আদালতে হাজির করা হলে শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। শুনানিকালে আসামিপক্ষে কোনো আইনজীবী জামিনের আবেদন করেননি।ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক ছিদ্দিকুর ইসলাম আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।